বিশ্বকাপ ২০১৮: রাশিয়ার সামারা শহর, ফুটবল আর মহাকাশ জয়!

আগে যেখানে স্পুতনিক স্টেডিয়ামটা ছিলো এখন সেখানে আছে একটি হাউজিং ব্লক আছে। অরবিটা নামের মাঠের জায়গাটি এখন পতিত জমি, আর একটি মহাকাশগামী রকেটের নামে নামকরণ

ডোপ কেলেঙ্কারি, মমি আর এক অধিনায়কের অবিশ্বাস্য বিশ্বকাপ যাত্রার গল্প!‍

১৯৯৯ সালের কথা, চিলি আর আর্জেন্টিনার পর্বতঘেরা সীমান্তে জমে যাওয়া তিনটি ইনকা গোত্রের শিশুর লাশ পাওয়া যায়। ভূপৃষ্ঠ থেকে ৬,০০০ মিটার উপরে ঠান্ডা আবহাওয়ায় সেই

ফুটবল ভয়ংকর : ইতালীর প্রাচীনতম ফুটবল ম্যাচ!

নিখুঁত সহিংসতা আর খেলাধুলার এক মিশ্রণ, ক্যালসিও স্টরিকো যেন এমনই কিছু দেখালো দর্শনার্থীদেরকে। ফ্লোরেন্সের সান্তা ক্রসে ব্যাসিলিকা মাঠে পুর্নবয়ষ্ক একদল লোক এভাবেই লড়াই করে খেলে

লাতিন আমেরিকান ফুটবল কি মৃত্যুপথযাত্রী?

এই পর্যন্ত সকল বিশ্বকাপের আসরের মধ্যে প্রায় অর্ধেক শিরোপাই বাগিয়েছিলো দক্ষিণ আমেরিকার তিনটি দল। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে। কিন্তু ২০০২ সালের পর থেকে এই মহাদেশীয়

শরনার্থীদের সঙ্গে ইতালিয়ান কিংবদন্তিদের ফুটবল!

সাবেক লাজিও ও এএস রোমা ক্লাবের তারকারা ৪-১ গোলের জয় পেয়েছেন তরুণ প্রবাসী উদ্বাস্তুদের একটি দলের বিপক্ষে। ম্যাচের ফলাফলটা অবশ্য একেবারেই মুখ্য ছিল না। গত

বিশ্বকাপে পেরু সমর্থকরা যেন ফেরাচ্ছেন ১৯৮২ সালের স্মৃতি

দীর্ঘ ৩৬ বছর পরে বিশ্বকাপ ফুটবলে অংশ নিচ্ছে পেরু। এই আনন্দে যেন একটুও কমতি না পড়ে, সেই দিকটি ঠিক রাখতে ভক্ত-সমর্থকেরা দলে দলে ভীড় করেছেন

ডিমের খোসা থেকে বিশ্বকাপ ম্যাসকট!

ফুটবলের মন মাতানো এই সময়ে খেলা সংক্রান্ত স্কার্ফ, শার্ট, জার্সি কতকিছুই তো দেখা যায়। কিন্তু ডিমের খোসা থেকে নির্মিত কিছু? এ এক নতুনত্ব, তা বলাই

জাদুকর সামাদ: উপমহাদেশের ফুটবল ইতিহাসের কিংবদন্তি

সামাদ নামটা শুনলেই চোখের সামনে ফুটবলের কিছু শৈল্পিক দৃশ্য ভেসে উঠে। উপমহাদেশে ফুটবলে শিল্প শব্দটার পরিচিতি যেন সামাদের হাত ধরেই। তিনি উপমহাদেশের ফুটবল ইতিহাসের কিংবদন্তি।

এক বিস্ময়কর ফ্রি-কিক ও এক স্বৈরশাসকের গল্প!

ফুটবল সংক্রান্ত যে কোনো মজার ভিডিওতে প্রায়ই একটা দৃশ্য দেখা যায়। ব্রাজিলের কিংবদন্তি রিভেলিনো আর জোয়ারজিনহো ফ্রি-কিক নেওয়ার জন্য দাঁড়িয়ে আছেন ডি-বক্সের সামনে। বল জায়গামতো

সক্রেটিসের ‘করিন্থিয়ান্স ডেমেক্রোসি’, ফুটবল দিয়ে গণতন্ত্রের চর্চা!

বিক্রম আশ:  ১৯৬৫ সাল থেকে শুরু করে প্রায় বছর বিশেক ব্রাজিল স্বৈরশাসনের কবলে ছিল। সেই স্বৈরশাসন যখন প্রথম শুরু হলো, ব্রাজিলের পারা নামক স্থানে রেইমান্ডো