পৃথিবীর সবচেয়ে উঁচু মূর্তিটি দেখতে কেমন?

বিশ্বের সবচেয়ে বড় মূর্তি নির্মান করা হচ্ছে ভারতের গুজরাটে। মূর্তিটি নির্মাণের কাজ এবছরের শেষদিকে সম্পূর্ণ হবে। ২০১৮ সালের অক্টোবরে ‘স্ট্যাচু অফ ইউনিটি ইন ইন্ডিয়া’ নামের এই মূর্তিটি সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে।

ভারতের নতুন এই মূর্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের স্ট্যাচু অফ লিবার্টির থেকে দ্বিগুণ উচ্চতা বিশিষ্ট। এখনপর্যন্ত সবচেয়ে উচ্চতার মূর্তি, চীনের দ্য স্প্রিং টেমপল বুদ্ধ-কেও পেছনে ফেলেছে এটি।  ৬০০ ফুট (১৮৩মিটার) উচ্চতার এই মূর্তিটি ভারতের স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম নেতা বল্লভভাই পাটেলকে উৎসর্গ করা হয়েছে। নর্মদা নদীর ওপর নির্মিতি এই মূর্তিটি তাকিয়ে থাকবে সর্দার সরোবর ড্যামের দিকে। প্রকৌশলীরা পাথর দিয়ে ভিত তৈরী করেছেন যার ওপর  বিশাল মূর্তিটি বসানো হবে। একটি দীর্ঘ সেতুর মাধ্যমে নদীর দ্বীপটি মূল ভূখন্ডের সাথে সংযুক্ত করা হবে।

মূর্তিটি সম্পন্ন হলে দর্শণার্থীদের জন্য থাকার ব্যবস্থাসহ সারদার পাটেলকে নিবেদন করে একটি প্রদর্শনী হল, ভারতের সংগ্রামের ইতিহাস এবং স্বাধীনতার চূড়ান্ত কৃতিত্ব এবং মূর্তিটির নির্মাণকাজগুলিও প্রদর্শণের ব্যবস্থা রাখা হবে। এছাড়াও মূর্তিটির বুকে একটি যাদুঘর  নির্মিত হবে ।

পঞ্চদশ শতাব্দীর প্রথম দিকে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রধান চরিত্র  ‘সরদার’  পাটেলকে  ভারতীয় ‘লৌহ মানব’  বলা হয়ে থাকে। প্রকল্পটির প্রথম পর্যায়ে প্রায় ৩২ কোটি পাউন্ড খরচ হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। এই প্রকল্পে হোটেল, কনভেনশন সেন্টার, স্মৃতিময়  বাগান, পর্যটন কেন্দ্র, এবং রাস্তাঘাট-সেতু তৈরী করা হবে।  সেতুটি কেভাদিয়া শহরের সাথে মূর্তিটিকে সংযুক্ত করবে। একজন মুখপাত্র বলেন, ‘নির্মাণকাজ সম্পন্ন হলে,  দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক উভয় দর্শকদের জন্য এটি একটি অত্যন্ত পছন্দের ভ্রমণের স্থান হিসেবে পরিচিতি পাবে’।

একটি উল্লেখযোগ্য অংশ যা ভিত হিসেবে কাজ করবে তেমন একটি কোরের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে । এর অর্থ একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ সম্পন্ন হয়েছে। ‘এই কাজের সমাপনি কাজ দ্বিতীয় স্ট্রাকচারাল স্টিল যা ব্রোঞ্জ প্যানেলের অবলম্বন হিসেবে কাজ করবে সেটি সম্পন্ন হয়েছে। এভাবে কাজ চলতে থাকলে আগামী কয়েক মাসের মধ্যে মূর্তিটি সম্পূর্ণরূপে দৃশ্যমান হবে বলে আশা করা হচ্ছে।